Tuesday, March 1, 2011

মহাভারতের হিড়িম্বার পূজিতা কালী

খড়গপুর থেকে ইন্দার পথে পুবদিকে গেলে পড়বে খড়্গেশ্বরের মন্দির ।  
সেখান থেকে আরো কিছুদূর গ্রামের পথ ধরে স্থানীয় মানুষদের জিগেস করতে করতে পৌঁছনো যায় হিড়িম্বেশ্বরী মন্দিরে  ।  

বড় বড় দীঘি পরিবেষ্টিত  ইন্দার এই  গ্রামটির নাম বামুনপাড়া । কথিত আছে মহাভারতে পঞ্চপান্ডবের অজ্ঞাতবাসের সময় ভীম ঘুরতে ঘুরতে  এসে স্থানীয় এক অনার্য নারী হিড়িম্বাকে বিবাহ করেন  ;এই আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলটির নাম ছিল " হিড়িম্বা ডাঙা "    এই অঞ্চলে হিড়িম্বার আরাধ্যা একটি অত্যন্ত জাগ্রত কালীমূর্ত্তি ছিল যা কালাপাহাড়ের অত্যাচারে,   কালের স্রোতে ভেসে যাওয়া এক ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল ।

এখনো গাছের নীচে সেই অতি প্রাচীন পাথরের মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় 

আর সেইখানেই বাংলার ১৩৭৫ সালে নতুন করে মন্দির স্থাপন করেন বামুনপাড়ার স্থানীয় মানুষ জন । মন্দিরের মধ্যে ধাতব কালীমূর্ত্তির পাশে শীতলার ও ধাতব মূর্ত্তি পূজো হয় ।  

4 comments:

  1. তোমায় যতো দেখছি ততোই বিস্মিত হচ্ছি,মুগ্ধ হচ্ছি।
    কি সুন্দরভাবে তোমরা স্থানীয় ইতিহাসচর্চার সুকঠিন কাজ করে চলেছো দুজনে মিলে।এই কাজ তোমাদের উৎসাহিত করেছে।তোমাদের চোখ দিয়ে আমরাও দেখছি সে-সব ইতিহাসের অবগুণ্ঠিত উপকরণ।হয়তো তোমাদের অজান্তেই আরও অনেক ইন্দিরা-পৃথ্বীশ এই কাজে নেমে পড়ার প্রেরণালাভ করছে।
    অভিনন্দনসহ
    কল্যাণবন্ধু ও রেখা

    ReplyDelete
  2. কিন্তু এ শহরের মানুষ একটু কম আগ্রহী যে দাদা ! তাই আরো কোনো ইন্দিরা-পৃথ্বীশ এই ব্যাপারে সাহায্য করবে বলে আমাদের মনে হয় না তবে আমরা চেষ্টা করে যাব যতক্ষণ পারি !

    ReplyDelete
  3. হিড়িম্বা নিয়ে গোটা ভারতে বেশ কিছু আখ্যান আর লোক বিশ্বাস ছড়িয়ে আছে। হিমাচল প্রদেশেও এর নামে মন্দির আছে। আমাদের অসমে ডিমাছা জনজাতিরা বিশ্বাস করে হিডিম্বা ওদের পূর্বসুরী। আর ওরা তারই বংশধর। যদিও তাঁর নামে কোনো মন্দিরের কথা জানি না। অর্থাৎ প্রাচীন বামুনেরা যাকে যেভাবে পারেন ওমন গল্পের সঙ্গে জুড়ে দিয়ে বৃহৎ হিন্দু সমাজে টেনে নিয়েছেন। এর সঙ্গে সত্যিমিথ্যার সম্পর্ক অতি অল্পই ।

    ReplyDelete
  4. samridhha holam. esob itihas aralei theke jay. dhanyabad Indira ke.

    ReplyDelete